পয়লা ডিসেম্বর ২০২৫

এস আই আর প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিছুদিন পরে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। এই গোটা কর্মসূচিটি রূপায়িত করতে ব্লক লেবেল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছিল। তাদের সহযোগিতা করার জন্য ছিলেন বি এল এ রাও। গোটা প্রক্রিয়া টি শেষ করতে যে সময় সীমা দেওয়া হয়েছিল তা অনেকের কাছে যথেষ্ট মনে হয়নি। নির্দিষ্ট ফর্ম বাড়ি বাড়ি দেওয়া, আবার সেই ফর্ম পূরণ করে ভোটারের বাড়ি থেকে নিয়ে এসে এন্ট্রি করা ব্যাপারটি অনেকের কাছে চাপের মনে হয়েছে। সমাজ মাধ্যমে দেখেছি কোনও কোনও অফিসার সুচারু ভাবে সময়ের আগে কাজ শেষ করে ফেলেছেন সে ক্ষেত্রে তাঁরা বাহবাও পাচ্ছেন। আবার অন্যদিকে অনেক বি এল ও সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারার জন্য চাপ অনুভব করেছেন, কেউ কেউ অসুস্থ হয়েছেন। ইতিমধ্যে কোনও কোনও রাজনৈতিক দল এস আই আর বাতিলের দাবি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। ২০০২ এর পর এবার আবার নিবিড় ভাবে ভোটার তালিকা সংশোধিত করার চেষ্টা হচ্ছে। কেউ কেউ এস আই আর এর আড়ালে অন্য সন্দেহ করেছেন। ব্যাখ্যা ও দিয়েছেন। এস আই আর হোক বা যাই হোক এটা রাজনৈতিক দলের কর্তা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, নিবার্চন কমিশনের দেখা উচিত ভোটার সংশোধনের নামে কোনো বৈধ ভোটার যেন বাদ না যান। মৃত ব্যক্তি যেন ভোটার তালিকায় থেকে না যায়। কিন্তু প্রশ্নটি হলো এতো বড়ো কাজের জন্য এতো কম সময় কেনো? আর একটু বেশি সময় নিয়ে আরও যত্ন নিয়ে সংশোধনের কাজটি করতে পারলে ভোটার তালিকা হয়তো প্রায় ত্রুটি মুক্ত হতে পারতো। তাড়াহুড়োয় সেই সুযোগ কি হাতছাড়া হতে পারে! প্রশ্ন আছে। প্রশ্ন থাকবে।
অনুপ্রবেশ একটি বড়ো সমস্যা। বিষয়টি নিয়ে বারে বারে আলোচনা হয়েছে ভবিষ্যতেও হবে। এই বিষয়টির সমাধান আশু হওয়া প্রয়োজন। অনুপ্রবেশের ফলে পশ্চিমবাংলার অর্থনীতিতে যে একটা বড়ো প্রভাব পরে তা বলাই বাহুল্য। অবৈধভাবে যাঁরা আছেন আলোচনার মাধ্যমে কি ভাবে সমস্যা মেটানো যায় তা দেখতে হবে। অবশ্যই এসব মানবিক দৃষ্টি তে দেখা জরুরি বলেই মনে হয়।

গৌতম দাশ

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

বিশেষ রচনা

বাংলা গল্প শুনতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন
বই সংগ্রহ করতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন
সংগ্রহ করতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

প্রকাশনার খবর

বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে, গৌতম দাশ, রজত চক্রবর্তী এবং শিশির রায়

ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদকঃ গৌতম দাশ

কারিগরি সহযোগিতাঃ সৌরভ হাওলাদার

খবরাখবর পেতে, এই লিঙ্কে, ইমেল নথিভুক্ত করুন