পয়লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

বইপাড়াই বা শুধু বলি কেন প্রায় সর্বত্রই আলোচনার বিষয় ২০২৭ এর কলকাতা বইমেলা। এবারে কলকাতা বইমেলা তার সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে। ফলে জাঁক জমক অনেকটা বেশি থাকার কথা। নির্বাচনে তৃণমূল সরকার ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়াতে বইমেলা ঘিরে একটা আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি নতুন সরকারের প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যাচ্ছে যে ২৪ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নতুন উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাঁরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।
এবার বইমেলা আয়োজনে রয়েছে পাবলিশার্স এন্ড বুক সেলার্স গিল্ড এর সঙ্গে ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট এবং ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টার। প্রশাসনিক বৈঠকও গিল্ডের কার্যালয় থেকে সরিয়ে সল্টলেক EZCC এ নিয়ে আসা হয়েছে। বোঝাই যায় এই বিরাট বইমেলা সরকার আর একা গিল্ডের হাতে ছেড়ে দিতে চান না। তবে কি কোনো নিয়ন্ত্রণের বেড়ার জালে সরকার বইমেলাকে বেঁধে ফেলতে চাইছেন।
সময়ই এসব প্রশ্নের উত্তর দেবে। তবে সূত্রের খবর গিল্ডের পক্ষ থেকে যে চারজনের নাম রয়েছে তারমধ্যে দুজনকে সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বাকি দুজন গিল্ডের ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় ও সুধাংশুশেখর দে’র ঘনিষ্ঠ। অনুষ্টুপ পত্রিকা ও প্রকাশনীর প্রধান প্রাক্তন অধ্যাপক অনিল আচার্য আছেন এই কমিটিতে। বইপাড়ায় তাঁর পরিচিতি অতিবাম বলেই। তাঁর ডাক পাওয়া নিয়ে অনেক পাঠক লেখক বিস্মিত হয়েছেন। আর আছেন বর্ষীয়ান প্রকাশক সাহিত্য সংসদ ও শিশু সংসদের প্রধান কর্ণধার দেবজ্যোতি দত্ত। এই দুজনই অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। অনিল আচার্য তো গিল্ডের সম্পাদকও ছিলেন। আছেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী আর্যেশানন্দ এবং ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী সারস্বতানন্দ। এছাড়া আর যাঁরা আছেন তাঁরা বেশির ভাগই সরকার ঘনিষ্ঠ। প্রসেনজিৎ বক্সী এই উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটির আহবায়ক। বইমেলাকে ঘিরে এই টানাপোড়েনে মুক্ত চিন্তার পরিসর কোনও ভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় কিনা সেটাই এখন দেখার।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন
অনলাইনে সংগ্রহ করতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

বিশেষ রচনা

  • আবার বাংলাদেশ সফর (পর্ব – ১)- কানাইলাল জানা

ব্যক্তিগত গদ্য

অনলাইনে সংগ্রহ করতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন


ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদকঃ গৌতম দাশ

কারিগরি সহযোগিতাঃ সৌরভ হাওলাদার

খবরাখবর পেতে, এই লিঙ্কে, ইমেল নথিভুক্ত করুন