

সম্পাদকীয়
হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীরা পথে। পথ পেরোনোর রাস্তা খুঁজতে। বইখাতা ফেলে পথে, আলোর সন্ধানে। দশ বছরে একশো বাহান্নটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ। অভিযোগটি গুরুতর। খবরে প্রকাশ একুশজন আত্মঘাতী হয়েছে। প্রশাসন থেকে আমজনতা কারোর মাথাব্যথা ছিল না।
মাথাব্যথা ছিল তাদের যারা পড়াশোনাটি ঠিকঠাক করে, কারোর সাহায্য না নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়। ক্ষোভ বাড়ছিল আমরা বুঝতে পারিনি। প্রশাসন কি বুঝতে পেরেছিল? হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি,ক্ষোভ কতটা বিস্ফারিত হতে পারে। ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে এগিয়ে এলেন সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পিছিয়ে পড়লেন একদল কূপমণ্ডূক দলদাস। যাঁরা এই আন্দোলনের সমালোচনা করলেন। কেউ কেউ চক্রান্ত দেখলেন। চীন, আমেরিকা করলেন। নির্বিচারে লাঠিপেটা। ছাত্রছাত্রীরা রক্তাক্ত হল। কেউ কেউ বললেন প্রশ্নপত্র ফাঁস হল কোটি কোটি টাকার ব্যাবসা। বিরাট সিন্ডিকেট। একদিনে এসব বন্ধ করা কঠিন।
হয়তো বন্ধ হবে না, হয়তো বন্ধ হবে। শুধুতো প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ নয়, শিক্ষাক্ষেত্রে নানান দুর্নীতি।
আমি আপনি চাই অথবা না চাই সব দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সব অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলতে থাকবেই। অত্যাচার যত তীব্র হবে , মানুষ সোচ্চার হবেনই। এ চিত্র চিরকালীন।
আপনি, আমি কোন পক্ষে থাকব সেটাই বিবেচ্য ।

সূচিপত্র

বিশেষ রচনা
- শেষে দিল রা (পর্ব ষোলো) – ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
- কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম-বদল: উন্নয়ন নাকি ব্র্যান্ডিং? – দেবাশিস মিথিয়া

প্রবন্ধ
ডিজিটাল রোস্ট এবং একটি মহাজাগতিক ‘অ্যাঁ’ – অয়ন মুখোপাধ্যায়
- আবার বাংলাদেশ সফর (পর্ব – ১)- কানাইলাল জানা

গল্প

ধারাবাহিক উপন্যাস

কবিতা

ব্যক্তিগত গদ্য
- লাল টয়ন বেরি থেকে কমলা – প্রবণ পালন চট্টোপাধ্যায়
- নুড়ি পাথরের সঙ্গে চলতে চলতে (২১) – রামকিশোর ভট্টাচার্য
- নস্যি – অনিলেশ গোস্বামী
- যাত্রাপথের আনন্দ-গান – টেপ রেকর্ডার – চতুর্দশ পর্ব – রাজীব দে রায়

ধারাবাহিক রচনা

প্রকাশনার খবর

প্রচ্ছদ
ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পাদকঃ গৌতম দাশ
