

সম্পাদকীয়
মাঝে আর কয়েকটা দিন, তারপরেই ঢাকে কাঠি পরে যাবে, শুরু হয়ে যাবে বাঙ্গালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। শারদউৎসব। সারা বছরের ক্লান্তি ভুলে, উৎসবে মেতে পরা। অন্যান্য বারে সরকারের তরফ থেকে সমস্ত পুজো আয়োজকদের বেশ কিছুটা অনুদান দেওয়া হতো। শাসক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনুদান নীতিতেও কিছু বদল হয়েছে। যে সমস্ত পুজো কমিটিগুলি স্বাবলম্বী তারা না নিলেই ভালো হয়। আর যারা ততটা স্বাবলম্বী নয় তারা সবাই নির্দিষ্ট জায়গায় আবেদন করতে পারবেন। মোটামুটি ভাবে এমন একটা ভাবনা। যদিও এই অনুদান দেওয়া নিয়ে বিতর্ক আছে। অনুদান বিতর্ক আদালত অবধি গড়িয়েছে।
কেউ কেউ পুজোয় নানা রকম বিধিনিষেধ জারি করছেন। মনে হয় এসব ফতোয়া জনমানসে বিরূপ ধারণা তৈরি করে। সরকারের ভাব মূর্তি নষ্ট হতে পারে। তাই আগে ভাগে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে। বিগত সরকারের যত্রতত্র দাদাগিরি, হাজার দুর্নীতি, চাকরি বিক্রি সাধারণ জনগণের প্রাণ ওষ্ঠাগত করে দিয়েছিল। বিরক্ত হয়েছিলেন সাধারণ নাগরিক। ভোট বাক্সে তার প্রতিফলনও ঘটেছিল। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কিছু কিছু মানুষের অতি উৎসাহে সামাজিক রীতিনীতি থেকে শুরু করে সামাজিক শৃঙ্খল নষ্ট হবার উপক্রম হয়। তার খেসারত দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। এসব নিশ্চয়ই প্রশাসন দেখছেন এবং প্রয়োজনে তাঁরা ইতিবাচক ভূমিকা নিচ্ছেন, নেবেন। সরকারের অনেক কাজ। ডবল ইঞ্জিন সরকারের যে সুবিধা তা আমাদের রাজ্য যাতে পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে তা সরকার দেখবেন।
সবাই ভালো থাকুন। পুজোর দিনগুলি আপনাদের ভালো কাটুক।
গৌতম দাশ

সূচিপত্র

বিশেষ রচনা
- শেষে দিল রা (পর্ব উনিশ) – ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
- শতবর্ষে উত্তম : এক উজ্জ্বল সফর – প্রদীপ্ত চৌধুরী
- খলনায়ক উত্তমকুমার – কানাইলাল জানা
- জিডিপি বাড়ছে, তবুও মানুষের জীবনে এত যন্ত্রণা কেন? – দেবাশিস মিথিয়া

- আবার বাংলাদেশ সফর (পর্ব – ১)- কানাইলাল জানা

গল্প

ধারাবাহিক উপন্যাস

কবিতা

ব্যক্তিগত গদ্য
- নুড়ি পাথরের সঙ্গে চলতে চলতে (২৩) – রামকিশোর ভট্টাচার্য
- যাত্রাপথের আনন্দ-গান – যাত্রাপালা – ষোড়শ পর্ব – রাজীব দে রায়

ধারাবাহিক রচনা

প্রকাশনার খবর








প্রচ্ছদ
ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পাদকঃ গৌতম দাশ
