

সম্পাদকীয়
কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটামুটি বাংলায় দুটি পর্বে ভোট নির্বিঘ্নে। এখন ফলাফলের অপেক্ষা। প্রশাসন চাইলে ভোট যে শান্তিপূর্ণ ভাবে হতে পারে তা প্রমাণ হলো। মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছেন। বলা যেতে পারে ভয়হীন ভোট। ভোট পড়ল ৯০ শতাংশেরও বেশি।
এটা নজিরবিহীন। তবে একটা বড়ো অংশের মানুষ ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারলেন না। বৈধ কাগজ পত্র থাকা সত্ত্বেও যে সমস্ত সহনাগরিক ভোট দিতে পারলেন না তার দায় কে নেবে? প্রশ্ন নির্বাচন কমিশনের কাছে। নতুন যে সরকার আসবে তার প্রাথমিক দায় বৈধ কাগজপত্র যাঁদের রয়েছে তাঁদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য যথা যত ভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানানো। একজন নাগরিকের কাছে ভোট দিতে না পারা শুধু বেদনার নয় অপমানেরও বটে। বৃহত্তর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এ বড়ো লজ্জার!
আর কয়েকটা দিন, তারপর ফলাফল। নানান সমীক্ষার ফল ঘোষিত হয়েছে। নানান অনুমান। এই আগাম সমীক্ষা খুব যে মেলে তা নয়। অনেকেই এই আগাম সমীক্ষাকে আমল দিতে চান না। তবে যে সরকারই আসুক না কেনো তাঁরা যেন শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান নারী সুরক্ষায় বিশেষ যত্নবান হন। আমাদের রাজ্যে বহু স্কুল বন্ধ। অল্প বয়স থেকে নবীন প্রাণ রুটি রুজির জন্য ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে। আমাদের রাজ্যে নানান উদ্যোগ নিয়ে কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা করা নতুন সরকার এর আশু কাজ হওয়া উচিত।
গৌতম দাশ

সূচিপত্র

বিশেষ রচনা
- শেষে দিল রা (পর্ব চোদ্দো) – ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
- সাঁ-জাঁ-দ্য-লুজ – এক রাজনৈতিক বিবাহের সাক্ষী – মনোজ কর

কবিতা
- লিপিকা চট্টোপাধ্যায়
- ইলা সূত্রধর
- পুরব পাল
- আবার বাংলাদেশ সফর (পর্ব – ১)- কানাইলাল জানা

গল্প

ধারাবাহিক উপন্যাস


ব্যক্তিগত গদ্য
- যাত্রাপথের আনন্দ-গান – দ্বাদশতম পর্ব ( টারজান) – রাজীব দে রায়
- আমার আটপৌরে দিন যাপন –৪ – স্ট্যানফোর্ডে পূর্ণিমা – প্রবণ পালন চট্টোপাধ্যায়
- হালখাতা – নন্দিতা সিনহা
- গালাগাল – অনিলেশ গোস্বামী

ধারাবাহিক রচনা

প্রকাশনার খবর

প্রচ্ছদ
ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পাদকঃ গৌতম দাশ
