মনে পড়ে অনির্বাণ!
তুমি একদিন বলেছিলে
আমিই তোমার তিলোত্তমা।

সেদিন খুশির আনন্দে
উদ্বেলিত হয়েছিলাম।
তবুও আবেগকে আড়াল করেছি।
ফুটে উঠেছে স্বলজ্জতা,
আমার লুকানো মুখের ভিতর
খুঁজছিলে রামধনু ছটা।

তিল তিল করে গড়েছিলে
যে ভালোবাসার প্রাসাদ,
তারও নাম রেখে দিলে তাজমহল।

কতবার ব‍্যাকুল হয়েছে মন,
কতবার দেখতে হয়েছি উদগ্রিব,
প্রতিবারই হেসে উঠেছিলে।

এখন শুকনো নদীর চরে,
জ‍্যোৎস্নার স্তূপাকার ছাই পড়ে থাকে।
তাই আজ খুঁজে আনো পাতালের থেকে
একটা যাদুর তুলি স্বপ্ন জোয়ার।
দক্ষিণ ওষ্ঠে আমার এঁকেদিলে তিল
লাশকাটা ঘর থেকে চাঁদ উঠে আসে।

রিমঝিম এই বৃষ্টির রাতে,
নিশুতির ডাক আঁধারের বাঁকে।
নিঝুম একাকী নেই কেউ সাথে,
মাদকের সুর জলছবি আঁকে !

শূন্য গলির উদাসী হাওয়া –
ভাঙনের গান ঝড় ঝাপটায়।
জানিনা কেন শুধু ভেসে যাওয়া ?
ভেজা বাতাসেরা পাটি সাপ্টায়।

খুঁজে খুঁজে মরে আলোক আবেশে –
সবুজ আঁধারে বনজের পথ,
প্রহরে প্রহরে রাত্রিরা শেষে
অবেলার পথে নিয়েছে শপথ !

নিদারুণ ভেজা বিষাদে বিবাদে,
তবু তার সাথে স্বপ্নরা বাঁচে !
প্রজাপতি রঙে এভাবেই মাতে ;
সেও এলে পরে ফুলদানি সাজে।

ধ্রুবতারা চোখে দিন প্রতিদিন –
আলোর নিশানা প্রিয় ভরসায়।
তবু বেঁচে থাকা বেড়ে যায় ঋণ,
ছুঁয়েছে অতল আজ বর্ষায় ।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, মে ২৬, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]