

সম্পাদকীয়
তারস্বরে গান বাজছে। স্টলে কেউ কারোর কথা শুনতে পাচ্ছে না। তার মধ্যেই বিক্রেতা বোঝানোর চেষ্টা করছেন বইটির ভালো মন্দ। ক্রেতা অনেক্ষন ধরে বোঝার চেষ্টা করছেন তারপর বইটি ছেড়ে পাশের স্টলে চলে গেলেন। পরক্ষণেই এক ক্রেতা এলেন নির্দিষ্ট একটি বইয়ের নাম বললেন বইটি নিলেন। তারপর বললেন, পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি আমাদের শাড়ির গ্রুপে পঞ্চাশ জনের মধ্যে তিরিশ জনেরই বই বেড়িয়েছে। সবাই আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সকাল থেকে হোয়াটসঅ্যাপ-এ আমন্ত্রণ আসছে। কেউ কেউ ফোন করছে সাড়া দিতে পারছি না। প্রচুর লেখক প্রচুর প্রকাশক। কারোর কিছু শেখার নেই, বোঝার নেই। প্রতিষ্ঠিত পরীক্ষিত লেখকের বই কেনার, বই পড়ার দরকার নেই। শুধু লিখে যাওয়া। এখন আর প্রকাশক পাওয়ার জন্য খুব একটা কষ্ট করতে হয় না। দুয়ারে সমাধানের মতোই আপনি রাজি হলেই দুয়ারে প্রকাশক হাজির হয়ে যাবেন।
তবে সবটাই নেতিবাচক নয়, ভালো কিছু কাজও যে হচ্ছে না তা নয়। অনেক ভালো কাজও হচ্ছে। সেটাই আশার কথা।
এই নিয়েই বছরের পর বছর বইমেলা আসবে আবার চলে যাবে। সবটা যেমন হতাশার নয় আবার তেমন সবটা আশার নয়। একটা সন্ধিক্ষণে আমরা দাঁড়িয়ে।
তারস্বরে গান যখন বাজছে, তখন কে যেন পাশ থেকে বলে গেল ওই আগুনে পুড়ে যাওয়া মানুষের জন্য একটু দোয়া করবেন আপনারা তো অনেক বই কেনেন পড়েন। আপনারা তো অনেক জানেন!
গৌতম দাশ

সূচিপত্র

বিশেষ রচনা
- শেষে দিল রা (পর্ব এগারো) – ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়
- বই না পড়েও কি পাঠক হওয়া যায়? — বইমেলার উত্তর- অয়ন মুখোপাধ্যায়

কবিতা
- সোমদত্তা ঘোষাল
- আবার বাংলাদেশ সফর (পর্ব – ১)- কানাইলাল জানা

গল্প


ব্যক্তিগত গদ্য
- নুড়ি পাথরের সঙ্গে চলতে চলতে (পর্ব- ১৬) – রামকিশোর ভট্টাচার্য
- যাত্রাপথের আনন্দ-গান – নবম পর্ব ( ধুনকর) – রাজীব দে রায়
- আমার আটপৌরে দিন যাপন-ছোটোবেলার দিন-প্রবণ পালন চট্টোপাধ্যায়
- মা-জাম্মা জুটি -অনিলেশ গোস্বামী

ধারাবাহিক রচনা

ধারবাহিক অনুবাদ গল্প সংকলন

প্রকাশনার খবর

ভবেশ দাশ-এর
আকাশবাণী ও বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ
প্রচ্ছদ
সৌরভ হাওলাদার
সম্পাদকঃ গৌতম দাশ
