শূন‍্য যখন রইলোই, তবে শূন‍্যতা থাকলো কি?
মুঠোর ভেতর হাজার হাজার মুহূর্তরাও ফকির
চলেই যখন যাবে — তখন কী আর থাকবে শেষে?
থাকবে যা, তা অন‍্য সময় … আলাদা প্রতিবেশে।
স্তব্ধতা যেই মুখর — নৈঃশব্দ বাস্তুহারা…
অন্ধকার জ্বালালেই তামাম বিশ্ব সালংকারা —
কিন্তু বা হয়তো না, হয়তো শূন্যতাটাই সত‍্যি
মুঠোর ভেতর থমকে থাকছে সময় নিয়মবর্তী…
মুখরতার মাঝেও হয়তো নিস্তব্ধ মোহনা
আলোর ঘরেই লোডশেডিং, তা আঁধার জানতো না।

যা হোক — একটা সত‍্যি কথা নির্জলা অক্লেশে —
জল সে থাকুক বা না-ই থাকুক, থাকে যেমন নদী…
তুমিও যাও অন‍্য সময়ে, আলোয়, শব্দে, দেশে —
আমার কাছে রয়েই যাবে। চতুর্দশপদী।

মনখারাপের আরেকটা নাম বর্তমান…
পাখির পালক বাছতে যেতেই মাংসে হাত
গরম আঁচের হ‍্যাঁচকা প্রতিবর্ত টান
বিকেল রোদে চিলেকোঠার আলসে ছাদ
কাটা ঘুড়ির ঠিকানা হয় — গড়ায় জল
কখনো সেই বিকেল হয় লাল পিদিম
দেওয়াল জুড়ে গল্প জোড়ে ছায়ার দল
রাজিয়া থেকে পৃথ্বীরাজ, মীরকাশিম…

সব ছবিই পুরোনো হলো — রংচিটে…
অথচ ছিলো বর্তমানে থাকার চাপ
বিকেল রোদ হামলে পড়ে যেই পিঠে
পেছন ফিরে তাকাতে যাই। মনখারাপ।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, মে ২৬, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]