
এতক্ষণ বসে আছি
ফুলের বুকে কান্না আঁকছে কে?
এ সকাল অনুকরণযোগ্য নয়।
খুব ভোর থেকে দেখছি—
আকাশকে মৃদু হতে
একটু একটু অন্ধকার নামছে।
নিজের ভেতরে আর কোনো কিছুই পরিপুষ্ট নয়।
আপাত থেমে-আসা ছায়া
ভেতরে ভেতরে দরজা নাড়াচ্ছে।
এতক্ষণ বসে আছি—
কিছু একটা ঘটবে ভেবে
উত্তাল হচ্ছে নদী ও পথ।
আর কী কী ব্যাকরণ খুলে রাখব
ব্যক্তিগত পরিসরে?
রসায়নে ধুলো জমছে।
আর কিছু আলোর কারবারি
তাই নিয়ে এলোমেলো করছে শব্দ।
প্রতিটি স্বরের ভেতরে
কী যেন অমোঘ টান—
কিছুতেই ঘরে থাকতে পারি না।
দিন জ্বলছে ঊর্ধ্বসীমায়,
আর কিছু প্রজননের বার্তা
আসছে অনলাইনে

মর্মবেদনা
শুকনো করে রাখছ কথা
বুকের সিন্দুক।
কথাভর্তি আলো—
আলো কি সবজান্তা?
ফুরিয়ে-আসা ঢেউয়ের কাছে
স্বপ্নের আসন পাতা—
এতক্ষণ জাগছি কী করে?
তুমি বলেছ, হার মানবে না।
ছুরির গায়ে
অসংখ্য হত্যার দাগ লেগে আছে—
মর্মবেদনায় পুড়ছে অন্তর।
এতকাল একা থাকলে কী করে?
আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলছে সময়।
সময় ও মরিচিকা—
একই বৃত্তের দুটি রূপ,
চাইলেও ছিঁড়ে ফেলতে পারো না।

