
নিকোনো উঠোন
আরো একটু একা হও আরও নিঃশ্ব
নিঃসঙ্গতার দহনে নিজেকে জ্বালো
নির্জন অশ্বত্থের উপাখ্যানের মতো
উদ্ভাসিত হোক গহনে লুকানো সে আলো
প্রতিটি বিসর্জন আনে নতুন সৃষ্টি
যত ক্ষোভ,পশ্বাচার রেখেছিলে পুষে
কলশপত্রীর মায়াবী ফাঁদ, চিকন মোহ
ওড়াও, পোড়াও সব মশালে- ফানুসে
আকাশের বুকে মেঘ ভাসে, চাঁদও-
থৈ থৈ জোছনায় হারাই যদি একেবারে
দীর্ঘ আলপথ ঘুরে আসি নতুন ভোরে
কেউ আর পায়নি খুঁজে পুরোনো আমিটারে
ঈশ্বরের সংজ্ঞা খুঁজতে যাইনি কখনো
চেতনার গভীরে বোধ জাগে সকাল সাঁঝে
আমি শুধু খুঁজে যাই অনন্ত বিশ্বাসে
নিকোনো উঠোন তোমার ভ্রুদ্বয়ের মাঝে

ঈশ্বর তুমিও সেই প্রতীকী পুরুষ !!
বুকের ভেতরে ভেজে পুরুষ্ট গোলাপ,
মিশেছে নরম রোদ শীতের সকালে;
সেখানে হারাই এসে নিঃশেষ হয়ে।
তখন তোমার চোখে কৃষ্ণাদ্বাদশী!
শিল্পী বিশ্বকর্মা আঁকে স্বর্গীয় উদ্যান –
আমার পয়োধর শীর্ষে অমল লালিমা,
নিতম্বে আজও আমরা দাসত্বের নারী
চিরন্তন চুম্বনে তবু ওষ্ঠকে ছুঁই !
অথচ আমিই ছিলাম অন্যন্যা লিলিথ,
স্রষ্টার সৃষ্টির এক প্রথম রমণী;
পুরুষের বুকের উপর মুখে মুখ রেখে –
চেয়েছি মানবিক সাম্যবাদী হতে !
অযথা পৌরুষে যদি আঘাত লেগে যায় –
তাই এই অধিকার মানেনি আদম,
আমায় উন্নাসিক ব’লে দূরে ঠেলে দিলে;
কার সমর্থনে স্রষ্টা বদলায় নীতি ?
প্রকৃতিকে সৌন্দর্য দিয়েছো না যত,
তারচেয়ে ভেঙেছো শতাধিক বেশি;
পুরুষের পক্ষপাতে ঈশ্বরও দুষ্ট –
সেদিনও পায়নি নারী সমান অধিকার!
লিলিথের অস্তিত্ব গুম করে দিয়ে –
পৃথিবী থেকে তুলে নিলে সাম্যের নারী,
এনে দিলে আকাঙ্ক্ষার অনুগত ইভ।
ঈশ্বর তুমিও সেই প্রতীকী পুরুষ !!


অনবদ্য সৃজন