তেমন করে বলা হলো বা কই
সব কথা কি ডানা মেলে আর ওড়ে ?
কিছু দোত্যনায় কিছু দেরাজের তাকে
যত্নে রেখেও খুঁজতে গিয়েও হারাই

সকালটা বেড়ালছানার মতো ঘুমিয়ে
বিষন্ন রিংটোন আলসেমি ঘোর কাটে
জেগে ওঠে সেও কাঙ্ক্ষিত কোন আশায়
বকুলের ঘ্রাণে বাউলের সুর মেশে

চিতার আগুন বাতাসে ফিনকি ওড়ায়
রক্তক্ষরণ এযেন হৃদয়জুড়ে
মুহূর্ত আসে রমনীয় পারাবাতে
সফেদ উড়ানে দিক নির্ণয় করে

ক্রমশ এভাবে ইথারের অনুভূতি
একাকার হয় অতীত ও বর্তমান
বিলম্বিত লয়ে গৈরিক চাঁদ ভাসে
ভাতের গন্ধে কতটা বা খিদে মেটে ?

এই দেখো পর্দার স্তর ছিঁড়ে ছিঁড়ে
মৃন্ময় অঙ্গের নিতম্ব গ্রীবায় –
ফুলের পাঁপড়ি আর পালকের ছোঁওয়া,
কোটরের খাঁজে খাঁজে তুলির সে টান ।
ভাস্বতী হয়ে ওঠে নৈসর্গ জানে !

নাবলা কথায় এতো পিছুটানে কেন ?
দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা গভীরতা খোঁজে,
শুধু কিছু অনাবৃত অদৃশ্য অক্ষর
সবাক উষ্ণ ঠোঁটে চুম্বন দিলে –
এঁকে দেয় দেহতত্বের শাস্বত সুখ।
আকাঙ্খিত নগ্নতায় ঈশ্বরের বাস !

সমস্ত রাতের আঁধার বাঁধা খুলে গেলে –
কৃত্রিম আড়াল আর নেই প্রয়োজন।
আদিম উন্মাদনার প্রতীক্ষাকে ঘিরে,
এ জীবন সমর্পিত মোহনার কাছে।
নগ্নতায় বিরাজমান শৈল্পিক রূপ !

গতানুগতিক সময় নদীর মতো,
মিলিত সৃষ্টির বীজ অঙ্কুরিত চারা;
সেও মাথাচাড়া দেয় আকাশের কাছে।
প্রখর রৌদ্রতাপে পর্ণমোচী হলে –
পাতারাও বিবর্ণ ধূসর খসে খসে পড়ে,
চরাচর ভেদ করে উলঙ্গ বৃক্ষ।

আলো ফুটে ওঠার পর পূবালীর রোদে –
খুলে দেই অযাচিত আবরণ যত
খাজুরাহ এ শিল্প দুর্নিবার শরীর
অপার প্রকৃতিকে তাই আলিঙ্গন করি।
তুমি তাকে অযাচিত নগ্নতা ব’লো !

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের অন্য রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, জুন ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]