
ভারতবর্ষ
আমার মায়ের সামনে বাবার লিঙ্গ দেখছিল ওরা
আমার মায়ের সামনেই বাবাকে নগ্ন করে
বন্দুকের বাট দিয়ে পেটাচ্ছিল
আমার মায়ের সামনে উত্তপ্তরড বাবার পায়ুদেশে
ঢুকিয়ে দিচ্ছিল
বাবার ঘাড়ে একে-ফরটিসেভেন ঠেকিয়ে বলেছিল
‘কালমা পড়্ কা-ফে-র!’
আমি পৃথিবীর অন্তিমপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখছি
পরম পিতার ছাইদগ্ধ চিতা
কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে আকাশে
আমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছি পূণ্যভূমিতে
ধর্ষিত হচ্ছে সিন্ধুপুরুষ
নখের আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে উপত্যকা
আমি দেখছি মায়ের কপাল থেকে তখন গলে পড়ছে
অগ্নিবর্ণসূর্য আর যোনি থেকে জন্ম নিচ্ছে
এক নবজাতক, নাম ভারতবর্ষ

কাশ্মীর
আঘাত যখন রক্তক্ষয়ী অগ্নিপাথর মৃত্যু ডাকে
পুড়তে দিও মুন্ডু বিহীন হাড় ক’খানি চিতার ফাঁকে
আমরা এখন বিপদগামী জঙ্গিহানায় মানুষপুতুল
এইতো আমার শ্মশানবাগান মাটির নিচে জাফরানিফুল
উস্কানিতে বারুদ ভরে বরফটাকেই স্বর্গ বানায়
হিন্দু নাকি মুসলমানি! প্যান্ট খুলে তোর লিঙ্গ যাচাই।
‘কলমা পড়ুন কলমা পড়ুন!’ বন্দুক সেই ঘাড়ের কাছে
মৃত্যু সাজাই ফুলের তোড়ায় পহেলগাঁওয়েও মানুষ আছে


কবিতাগুলো ভালো লাগলো।