
মশাল
উদয়াস্ত দাঁতে দাঁত চেপে চলতো লড়াই। বড়ো দীর্ঘ আর ক্লান্তিকর সে সংগ্রামের ইতিহাস। তবু হাল ছাড়েনি ওরা। বহুদিন একটানা চলার পর আচমকাই এক অনির্বাণ বাতির সন্ধান পেয়েছিলো ওরা। সেই প্রথম ওদের আলোর সাথে পরিচয়।
বাতিটা জ্বলছিলো বেশ। উদ্দাম প্রাণশক্তিতে ভরপুর। ঘরে বাইরে যেখানে যত অন্ধকার, সবটা মিটিয়ে দেবার জেদ যেন পেয়ে বসেছিলো তাকে। একটু একটু করে কেটে যাচ্ছিলো বাধা, সহজ হয়ে আসছিলো জীবন। কিন্তু চারিদিকে এত জঞ্জাল আর তার এমন ভয়ানক দুর্গন্ধ যে নিজেকে সামলে রাখতে পারেনি সে। সংস্কার তার মজ্জাগত। আর ঠিক সেই কারণেই একদিন রাস্তা আগলে দাঁড়ালো এক মহিরুহ অন্ধকার। তীব্র ঝড় আছড়ে পড়লো চৌকাঠে।
বাতিটা নিভলো না শুধু, বিক্ষত হতে হতে দুমড়ে মুচড়ে একটা প্রশ্নচিহ্ন হয়ে রয়ে গেলো চিরকালের জন্য। শোকের ঘরে এখন অন্ধকার আর প্রশ্নচিহ্ন মিলেমিশে থাকে।
তবে ইদানিং কিছু অন্য আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কদিন ধরে অন্ধকার হলে দপ করে জ্বলে ওঠে একটা মশাল। আর আলেয়ার মত ছড়িয়ে পড়ে দিকে দিকে।

দুই
শীতের এই সময়টায় বাগানে শুকনো ডালপালার ভিড় উপচে পড়ে । তলে তলে সেখানে অন্য এক দহনের প্রেক্ষাপট সাজিয়েছিলো কেউ! বিষয় গুরুতর। সক্কাল সক্কাল মন্ত্রীমশায়ের কপালে গাঢ় চিন্তার ভাঁজ। মুখ থমথমে। তাঁর সাধের ঘাস-বাগান জুড়ে এখন পুলিশের বুটের দাপাদাপি । গতকাল রাতের অন্ধকারে একটা জ্বলন্ত মশাল উড়ে এসে পড়েছে বাগানে, অথচ সিসি টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি কিছুই। এবং রাতের ঢিলেঢালা অবসরে অনেকটা জায়গা জুড়ে ছড়িয়েছে ধিকি ধিকি আগুন। ফলে বিরাট কালো একটা ক্ষতদাগ গ্রাস করে নিয়েছে বাগানের প্রায় অর্ধেকটা।
এবং সবচেয়ে দুশ্চিন্তার কথা, খোড়ো চালের মাটির ঘরেই মন্ত্রীমশায়ের আশৈশব রাত্রিবাস!


ভালো লিখেছেন। জ্বলন্ত মশাল আরো যেন ঠিকমত জায়গায় গিয়ে পড়ে!
সেই আশা তীব্র হোক আরও। ভালো থাকবেন। আমার শুভেচ্ছা নেবেন!!
Sab e bujlam kintu saamajik abbokhoy bhison hotasha tairi koreche….
Sab e toh bujlam kintu saamajik abbokhoy bhison hotasha tairi koreche…