হোটেল সিনক্লেয়ার্স- দার্জিলিং। ১০৮ নম্বর স্যুটটা রাখা ছিল আমাদের জন্য। বিকেলেই চেক ইন করেছি। একটু পরেই অতিথি আসবেন। মলয় সব ব্যবস্থা করে দিয়েছে। ওর বিশ্বাস আমার দীর্ঘ অবসাদের ওটাই ওষুধ। মনটা উদগ্রীব হয়ে আছে। ধোঁয়ায় ভরে যাচ্ছে ঘর। হুইস্কির বোতলটা ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত।

বেল বাজলো। সকালে ফোনে সামান্য কথা হয়েছে মিস রুহির সঙ্গে। বুকে দামামা। অপটু হাতে দরজা খুলতে সময় লাগলো বেশ।

মাথায় হ্যাট। সানগ্লাস। জিন্স-হোয়াইট টপ।
-ইউ মাস্ট বি মিস্টার…।
চমকে ফিরে তাকালাম। গলাটা ধাক্কা দিলো ভীষণ। থমকে গেল কণ্ঠস্বর! ততক্ষণে টুপি-সানগ্লাস উধাও। মুখে স্পষ্ট পরিচয়ের বলিরেখা !

পা দুটো পাথর ! বুকটা হিম। মিস রুহির খোলস ছিঁড়ে শিলালিপি যেন ঠাস করে চড় কষালো আমার গালে। বোধ ফিরে পেয়ে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। মুহূর্ত তো নয়, যেন একটা যুগ। স্তব্ধ হিমালয়!

একদিন, সম্পর্কের মাঝপথে, ওকে ছেড়ে এসেছিলাম, বিনা নোটিসে।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের অন্য রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, এপ্রিল ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]

4 1 ভোট
Article Rating
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
পংক্তির ভেতর মন্তব্য
সব মন্তব্য
পল্লববরন পাল
পল্লববরন পাল
1 year ago

আগে পড়া। প্রথমবার পড়ার পরে থাপ্পরটার স্মৃতি জেগে উঠলো।
🙏🏼❤️🙏🏼

Arindam Chowdhury
Arindam Chowdhury
1 year ago

Khub bhalo laglo Barun

Debabrata Ghosh Moloy
Debabrata Ghosh Moloy
1 year ago

বেশ ভালো লাগল গল্পটি।

Kanchan Bhattacharya
Kanchan Bhattacharya
1 year ago

Darun laglo, aro baro golper jonno opekkha korchi.