আজ গ্রীষ্মেও আকাশ বারবার
চোখে পড়ছে মেঘের কাজল।
আষাঢ় শ্রাবণকেও মাঝে মাঝে
হার মানিয়ে দিতে চায় বিপুল জল ধারায়।

এই গ্রীষ্মে তবে তোমার মুখ এমন গোমরা কেন?
একবার চেয়ে দেখো ঘন কালো মেঘের দিকে।
তাকে দেখে শিখে নাও প্রকৃতির মতো হতে।

আজকে এসো মেঘের সাথে পাল্লা দিয়ে,
কষ্টের সব কালো রাত মেঘ মনের বৃষ্টি ধারায় ধুয়ে পরিষ্কার করে নি।
তারপর গ্রীষ্মের বৃষ্টির মতো
মনের যত যন্ত্রণা ও কষ্ট হাসির মুক্তা ধারায়
ছড়িয়ে দি সবার মাঝে।

কি হবে এমন উদাস হয়ে বসে থেকে?
দুঃখ তাতে বাড়বে ছাড়া কমবে কি?
মনের আগুন জ্বলবে শুধু নিভবে না।

তার চেয়ে এসো মনের জানালা খুলে দাও।
তাকে মুক্ত করো,
এই বেলা তাকে ভিজিয়ে নাও উদার বারিধারায়।
মলিনতা ধুয়ে মুছে একেবারে ঘুচে যাক চিরকালের জন্য মধুর পরশে।

তোমার দুটি চোখের ভিতর সঞ্চিত
মনি-মুক্তা গুলোকে,
পরম যত্নে আগলে রেখো।

তাকে যখন-তখন যেখানে-সেখানে
ছড়িয়ে ফেলোনা।
কারণ তোমার আবেগের মূল্য
সবাই বোঝে না।

যতদিন বেঁচে আছো
লোক চক্ষুর আড়ালে
অতি সংগোপনে তাকে হৃদয়ে ধরে রেখো।

তোমার হৃদয়ের ভাবাবেগ অত্যন্ত প্রয়োজনে,
কোনো বিশেষ মুহূর্তে উজাড় করে দিও।
তখন তার মূল্য হবে সবচেয়ে বেশি।
তখনই সে হয়ে উঠবে অমূল্য রতন।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, সেপ্টেম্বর ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]