সারাদিন এই আপন মনে
তোমার কথাই ভাবছি বসে,
ভাবতে ভাবতে দিন ফুরোলে
রাতের আঁধার ধরল কষে।

বুকের ভিতর কতো কথার
জল তরঙ্গে একটানা সুর–
যায় কি ছুঁয়ে তোমার হৃদয়
আমার দেখা সাত সমুদ্দুর?

ভাবনা গুলো হারিয়ে যে যায়
কোথায় কখন নেই ঠিকানা
বিনি সুতোর জাল বুনে বুনে
আনমনা হয়ে মেলি পাখনা।

মন বলে তাই দেখা পেলেই
জমানো অনেক মনি কাঞ্চন
ঝরবে বকম-বকম স্বরে
তোমার কোলে ফুলের মতন।

তাইতো মনের জানলা খুলে
ভেবেই বিভোর তোমার কথা
মন ভোলানো আলতো বাতাস
জড়িয়ে নিয়েছে কথার লতা।

চওড়া হাসির মুক্তা ধারায়
যে ফোয়ারা উপচে পড়ে-

তাকে হৃদয়ের প্রফুল্লতা মনে করবার
কোনো কারণ নেই।
এ শুধু নিজেকে ভুলিয়ে রাখবার আর
আনন্দের বারিধারায় প্রতিনিয়ত
অবগাহন করার কথাটি
সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেবার প্রয়াস মাত্র।

ধবধবে সাদা দুধের মতো যে দাঁত
হাসির অভিনয়ে ব্যস্ত,
সে আসলে হৃদয়ের কোণে কোণে জমে থাকা কষ্টের উপর
কার্পেটের আবরণ ছাড়া আর কিছু নয়।

যার হাসি যত বেশি,
তার বুকের মধ্যে কান্না ধারার সমুদ্র মন্থন
আপন ছন্দে চলেছে অবিরাম।

গম্ভীর মানেই দুঃখী নয়,
পরিণত বোধ এবং জ্ঞানের পরিচায়ক।
কষ্ট হাসায় বেশি,
ততধিক হাসায় সারল্য।
সব হাসির‌ই মূল্য অনেক
যায় না বোঝা স্পষ্ট।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, জানুয়ারি ২৬, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]