ঝড় তুফানে ছাদের টানে
বায়না লেখা অনেক গানে
শীতের স্নানে শরীর জানে,
ওই ছেলেটার গর্ব এবং
ডুকরে ওঠা অপমানের,
ওই মেয়েটার শিক্ষে এবং
একটি উঁচু মাথার মানে,
সংসারেরই প্রশ্নবানে
কিমবা আজও ক্লান্ত দু হাত
প্রতিবাদহীন কন্যাদানে!

তুমিই তো সেই “বাপ”..

কলার তোলা, জামার বুকে
পকেট জুড়ে লুকিয়ে রাখো
অজস্র সংলাপ!

অন্ধকার থেকে পালিয়ে গেছে চোখ…
জীবনের প্রতি স্তবকে খুঁজেছে
বেঁচে বর্তে থাকা আলোর ছু মন্তর।
অথচ নিয়মমাফিক রাস্তা চেনানো
সেই জ্যোতির্ময় দু’চোখের আকাশজুড়ে
অন্ধকারের মতো জ্বলে থাকে যে তারা-
তাদের কি নাম দেবে-
আলো, অন্ধকার নাকি অন্ধ?

অন্ধকার থেকে নেমে এসে দুচোখ
মুঠোফোন আলোয় চিঠিদের যাতায়াত
মেপে, অন্ধকারকে পরাজিত করেছে রোজ।
অথচ বহু বহু দিন, দরজার পাশে দাঁড়ানো
ডাকবাক্সের অন্ধকার খুলে শুনে নেয়নি কেউ
অপেক্ষমান একটি আলোর ডাক।

আলো আলো রোদ জ্বেলে দেখা গেছে
পাহাড়ের যাবতীয় বরফ সংসার।
স্মৃতির দেওয়ালে পাহাড়ী সাক্ষ্য-প্রমান
লিখে রাখছে শুধু আলোই…
অথচ প্রতিবার অতল খাদের অন্ধকার
আলোকে উজ্জ্বল পরিচিতি দিয়ে
বারবার নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে…

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, আগস্ট ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]