আত্মগোপনে রোদ পোহাই
আয়নায় দেখি বিবর্তন
জলের প্রবাহ অবিশ্রাম
স্ফুলিঙ্গ করে আলিঙ্গন
গাছ হবে তুমি ? উদ্বাহু
দেহজ শাখায় সমর্পণ
কুয়াশাপীড়িত মাঝরাতে
উথাল পাথাল কী কম্পন !
আগুনে দগ্ধ সে চুম্বন
শিখা নিবে গেলে প্রদীপ দাগ
দোষ দেব কাকে ? ঘুম অতল
সারাংশ খোঁজে ইমন রাগ ।
বল্লমে বেঁধা গভীর বুক
অনুরাগী সুরে অন্যজন
সমুদ্রঝড় পাড়ের স্রোত
সীমান্ত জানে বিস্ফোরণ ।
উষ্ণতা মাপে প্রহরী চাঁদ
শিরা উপশিরা গাঢ় লাল
তুমি খুঁজে নাও স্বচ্ছ মদ
নিজের সুবাসে হও মাতাল।
স্তব্ধতা জানে দিগন্ত
ধোঁয়াটে মাটিতে দাগ রাখে
স্তম্ভিত গতি নীরবতা
নিষ্প্রাণ সব ভুল লেখে ।

এখন জলে ভাসান দেওয়া ঘ্রাণ
খরায় জমাট শিকড় কথকতা ,
বুকের মধ্যে এক হেমন্ত প্রাণ
প্রতি দিনের অন্ধ প্রবণতা ।

এখন শুধুই মলাট দিয়ে ঢাকো
চোখের কোলে কালির জাগরণ ,
ঝাপসা তুলির জলের টানে লেখো
শামুক খোলের কাঁকুরে স্পন্দন ।

এখন নিষেধ হিসেব ভাঙে গড়ে
ফেনিয়ে তোলে ভাঁটার বাস্তবতা ,
আলো হলুদ মলিন অন্তরে
সঞ্চারিত উজান নিস্পৃহতা ।

লবণ স্রোতের অতৃপ্ত এক ঢেউ
ফেরায় গল্প বালির হৃদয় জুড়ে ,
ভাসতে আসা নাবিক ছিলো কেউ
অভিমানের শৌখিন বন্দরে ।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের অন্য রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, মে ২৬, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]