ভেঙে ভেঙে এই স্বরায়ন,
অবশেষে সেই অনশ্বর স্বর!

বহুদিনের চর্চিত কলা
হ্যারিকেনের ভুষো কালি তোলা
কাঁচের মতন স্বচ্ছ হতে
পার হয় কতটা সময়!

সেই সব বুঝতে বুঝতে
অগনন পল -অনুপল
চলে যায় ভাত-কাপড়ের ক্ষণ!
ভেঙে ভেঙে ছেঁড়া ছেঁড়া, স্বর
সুনির্মিত হতে নিশীথ কুয়াশা
সরাতে সরাতে কলম যাপন
খাতার অতলে রৌদ্রিল জীবন ;
দেখে নিতে অণুবীক্ষণের সহায়তা —
আছে কিনা ভাবিনি কখনো।

তবু দ্যাখো, ভাঙাচোরা স্বর, স্বরায়ন
সুনির্মিত ঝরোকায় থাকে, অনশ্বর স্বর!

খুঁজেছি জনঅরন্যে। দেখাতো মেলেনি।
অতটা সহজ নয়। হালতো ছাড়িনি।

যদি ছেড়ে চলে আসি।সে তো রণভঙ্গ!
এমন প্রত্যয় নিয়ে সেই ত্রিনয়ন–

সম্ভব হতো কী তার অনুভূতি-জাগা!
তোমাকে খুঁজেছি এই নীল চরাচরে।

খুঁজতে খুঁজতে লোকালয় নয়; গূঢ় বনে–
ঈষৎ আড়াল থেকে দেখা তার চোখ
কুহকী মায়ায় মাখা নীলাভ-হরিত।
রেটিনা বিবরে বুঝি অতল আকাশ
কখনো আশ্বিন কিংবা কখনো শ্রাবণ

ভেসে থাকা ব্রক্ষ্মচিত্রে রাঙা বিধুরতা।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[পরম্পরা ওয়েবজিন, অক্টোবর ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]