গগন ছেয়ে থাকে কৃষ্ণ মেঘ সাজে
শ্রাবণ ধারা ঝরে তৃষিত ধরার মাঝে
সবুজ চরাচরে বৃক্ষপত্র সবে
সিক্ত বারিধারায়, ময়ূরের কেকারবে
জীবনের আবাহনে প্রকৃতি স্নিগ্ধ হবে।

চারিধারে জয়গান ধরিত্রী পূর্ণ হোক
প্রাণের কলচ্ছাসে মথিত সর্বলোক
তার মাঝে রবিকর হয়ে যায় একা
নক্ষত্রের ঝিলিমিলি পড়ে থাকে ঢাকা
নীলিমার অপেক্ষায় শুধু বসে থাকা

বাদল মেঘ ছাই মেখেছে দূর দিগন্ত ছেয়ে
ধরিত্রী হয়েছে অপরূপা সবুজ মেখলা গায়ে
অপূর্ণ যত পূর্ণ হবে সৃষ্টির উল্লাসে
অলক্ষ্যে শিব বাজান ডমরু পরম আশ্বাসে।

শ্রাবণী রাতে মেঘেরা আসে গোপন অভিসারে
সাক্ষী থাকে না চরাচরে কেউ
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ঝরে রাতভর
ধরণীর কপোল ছুঁয়ে বয়ে যায় মাতাল হাওয়া
সাক্ষী থাকে নদীর বুকে উদ্বেল শত সহস্র ঢেউ ।

গহন শ্রাবণ মেঘে ঢেকেছে আকাশ
মৃদুভাষে ছুঁয়ে বয়ে যায় সোহাগী বাতাস
পাখিরা কূজন ভুলে পাতার আড়ালে
স্নান সেরে ডানা ঝেড়ে জল মুছে ফেলে
ধারাপাতের বিবরণীতে শোনে সংরাগের উচ্ছ্বাস।

বাদলধারা ঝরে অঝোর বরিষণে
প্রেমের ছোঁয়া লাগে মাটির পৃথিবীতে
বিরহ কাতর ছিল মেঘের বিহনে ।

আনন্দধারা ঝরে হৃদয় গহীনে
মুছে অপ্রার্থিত বিষণ্ণতা মলিনতা যত
বিহ্বল ময়ূর নাচে ব্যাকুল মেঘের দর্শনে।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, সেপ্টেম্বর ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]