আজ কি একটু শান্তি এলো, হঠাৎ করে ঢেউয়ের প্রাচুর্য
আলো আলো একটি গ্রামে এসে, গ্রাম থেকে বেরোনোর
মুখে, ছোট একটি চায়ের দোকানে; থমকে গেছে দিন।

চারিদিক থেকে ধেয়ে আসছে অক্সিজেন, পথের পিপাসা
থেকে নেমে গেল ভূত,পথ থেকে সরে গেল পাথর এখন
আমি যে কোনো দিকে চলে যেতে পারি!

এমন শান্ত ঠিকানায় কীভাবে এলাম!কে নামিয়ে দিয়ে গেল
অথবা সঞ্চয়হীন পৃথিবীর দ্বারে এসে হাহাকারহীন আশ্রয়
খুঁজে খুঁজে এখানে পৌঁছে যাওয়া! আপাতত বড়ো করে
শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে একটু পায়চারি হোক। তারপর যদি

কেউ শান্তি ভঙ্গ করতে আসে আসুক অনেক চিৎকার
ওঠে উঠুক পাথর সরে গেলে এরকম হয় এখন আমি
যা খুশি করতে পারি কিন্তু অভ্যাস জানি কিছুই করতে দেবে না।

সেও কি বিষণ্ণতার প্রতীক সে ও কি অনালোকের
বর্ণমালা!সুউন্নত যে আলো আসার পথ
সেখানে কেউ কি ছিল ভালো লাগার
কেউ কি একদম অনুপযুক্ত ছিল ভালোবাসার!

আগে থেকে বোঝা যায় না কিছুই
কেবল হঠাৎ হঠাৎ দুঃখ ঝরে পড়ে,
ঝরে পড়েই বাতাসে পাতার মতো উড়ে বেড়ায় না
জড়ো হয়
একটানা পোহায় না দুঃখের আঁচ।

এমনি এমনি সরে যায়, মানসিক আয়োজন খুলে
ঢুকে পড়ে সুন্দরের যন্ত্রণা
অনুভব দৃঢ় হলে বৈভব আগুন এনে দেয়
এনে দেয় অযথা ভয়

আসলে কে না জানে আগুন‌ও আলোকিত করে কিছুটা সময়।


সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[পরম্পরা ওয়েবজিন, আগস্ট ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]