
বর্ণমালা
বর্ণমালায় আবদ্ধ হয়ে শুধু পথ চলা নয়
তারমধ্যে অন্ধকারের ঘনত্ব থাকে।
লুব্ধক আমার কাছে পরিচিত রাজপুত্তুর
তার গতিবিধির চরিত্রে তাকে ভালভাবে চিনি।
চিন্তার মাপকাঠি নেই। এগিয়ে চলা অন্ধকারেও।
এলোমেলো পাথরকুচির পথে সে দৌড়াতে পারে।
অনেক বেশি সময় লাগলেও সে পথ পেরিয়ে যায় এবং জীবনের সাফল্য অর্জন করে
বিনিদ্র পারাপারে।

অংকের খাতায়
লেখা পড়া করবো না জমিতে ফসল ফলাব
অংকের খাতায় দু ফোটা জলের হিসেব।
মা চায় উচ্চশিক্ষা,গ্রামের মাস্টার।
নিজেকে প্রশ্ন করতে করতে উত্তর লিখে যাই
খাতা ভরাই অংক কষি মাটির মেঝেতে এক দুই।
মা আমাকে দেখে মুখ টিপে হাসে, এই ছেলে মাস্টার?
পেট পিঠ এক হয় সারাদিনের কাজে
পুষ্টিকর খাবার নাই তবু খাই খাই
রুচিশীল ফুরফুরে জিহ্বায়।
আমাদের পড়াশোনায় আর্থিক সংকট
কিছু জেদ চোখে মুখে পায়ে পায়ে ও মেরুদন্ডে
কষ্টেসৃষ্টে কুরি কিলোমিটার দূরত্বে
বাড়ি ফেরার সময় অংকের সাথে
জীবন হিসেবের মিল খোঁজে।
জীবন মেপে মেপে চলে
হিসেবের খাতায় নাই বা করি কাটাকুটি।
স্থিরতা জীবনের অংক-বিশারদ।
বাবার চলাফেরা দুই পোয়া জমির কেন্দ্রস্থল।
সন্তান মানুষ হলে পিতা-মাতার মুখে হাসি ফোটে
চোখের পাতায় শান্তির বাতাস আসে
চলতি জীবন থমকে গেলে বুকের পাথর খন্ড হয়।
টিভিতে মোবাইলে জানা যায় শিক্ষা চুরির কথা।
মেরুদন্ডে আঘাত এ কেমন ছলনা যন্ত্রণা এ কেমন কান্না?
বাবা উঠোনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে।

