

সম্পাদকীয়
বইমেলা শেষ হয়েছে বেশ কিছুদিন। বই বিক্রিতে এবারও রেকর্ড। তবে কেউ কেউ বলছেন তুলনামূলক ভাবে পাঠক বন্ধুদের সংখ্যা কম। প্রচুর বই। নানান বিষয়। অনেক প্রকাশক। সব প্রকাশক ই চেষ্টা করেন নতুন বিষয় নিয়ে নতুন ভাবনা নিয়ে বই তৈরি করতে। একটু তাকালে বোঝা যায় চেষ্টার খামতি নেই। এটা ইতিবাচক। বই শিল্পের পক্ষে অর্থবহ। তবে প্রশ্ন আছে, এই যে এতো বই এতো বিষয় এতো ভাবনা। কিন্তু পাঠক! তারা কতটা পড়ছেন। নাকি সময় অভাবে পড়াই হচ্ছে না সংগ্রহ করা বই। তাই ক্রেতা শুধু নয়, সত্যিকারের পাঠক চাই। সেই পাঠক বা পড়ুয়া তৈরি করতে এখন নানান উদ্যোগ-এর প্রয়োজন বলেই মনে হয়। বই সংগ্রহ যেমন একটা অভ্যাস তেমনি বই পড়াও একটা অভ্যাস। সেই অভ্যাসকে কী করে বাড়ানো যায়, সে নিয়ে আলোচনা আশু প্রয়োজন।
ভালো থাকুন।
গৌতম দাশ


সূচিপত্র

নিবন্ধ

কবিতা

- আবার বাংলাদেশ সফর (পর্ব – ১)- কানাইলাল জানা

ভ্রমণ

গল্প

অনুবাদ গল্প

উপন্যাস

প্রচ্ছদ
মহুল হাওলাদার
সম্পাদকঃ গৌতম দাশ
পরম্পরা বাঙালির ঐতিহ্য
বই প্রকাশ বিক্রি এবং পড়ার অভ্যাস নিয়ে মন্তব্যটি যথাযথ । এর সঙ্গে আমার ছোট্ট সংযোজন ।
১) বাংলা বইয়ের প্রকাশক এখন বহুবিধ বিষয়ে বই প্রকাশ করছেন । আগে গতানুগতিক বিষয় প্রাধান্য পেত। এটা ভাল দিক । আমার ধারনা এতে বইয়ের বিক্রি বাড়ছে ।
এটাও হয়ত সঠিক যে সব ক্রেতা সব বই তখন তখনই পড়ে না । কিন্তু বাড়ীর অন্যরা পড়তে পারে । ক্রেতাও কোন না কোন সময় পড়তে পারে । সর্বোপরি বাড়ীতে বই কেনার সংস্কৃতি যে আবার গড়ে উঠছে এটা প্রশংসা যোগ্য ।
আমেরিকায় পাড়ায় পাড়ায় লাইব্রেরী । অনেকে ভেবেছিল অনলাইনের যুগে লাইব্রেরীগুলো উঠে যাবে । কিন্তু তথ্য অন্য কথা বলে ।
প্রকাশকদের পাঠক সৃষ্টি করাও দায়িত্ব ।
শুভেচ্ছা গৌতমদা। ভালো লাগলো এই উদ্যোগ।