শূন্যতার জানালা গলে
আধো রোদে দেখা যায় ধূসর গাছটা
পাতাদের ছুটি এখন।
ফুলেল সাজে পাগল বসন্ত দিন
এ শহর আমায় ঢেলে দিয়েছে প্রশ্রয়
কামড়ে ধরেছে ঘড়ির কাঁটা
যখন ঠিক চেয়েছি যেমন
একলা রাতের মাঝ রাস্তা,
চা – দোকানের রৌদ্র ছায়ায়
হায়না এসে আটকে রাখেনি
সুযতনের যাবতীয় যাপন,
রক্ত মাংস চাইনা আর,
দাও ইঁট – কাঠ – পাথুরে খামে
গভীর ক্ষতের সবুজ স্নান,
আকাশ দেখব সাথে পলাশবন,
দূরে ওই বাঁধানো কপিকলে
শিল্পজল তুলব আবার, হলদে ধারে
মায়াকাননে ভেনেসতারার খই ফুটছে।

দাবদাহের বুকে আমন্ত্রণ লেখা থাকে না
থাকে শুধু শুকনো জিঘাংসার ভীতি প্রদর্শন
মাটিতে পা রেখে যেতে যেতে মনে হয়,
হেঁটে চলেছি স্ফুটনাঙ্ক ভেদ করা খরস্রোতে
লাভার থাবায় গোগ্রাসে গিলি বেভুল সাজানো থালা
তারপর উগরে দিই সমস্ত দিনের বিষাক্ত উত্তাপ
ঘৃণা বলে ভুল করে কেউ কেউ, কিংবা প্রতিস্পর্ধা
শত্রুতা নেই। বৈরিতা আছে।
কান্নাজলে ধুয়ে যায় আজন্ম ব্যথা।
নিশ্চিন্তি অধরায় হতাহতের সংখ্যা বাড়বেই,
মায়া প্রেম নিরুদ্দেশের পথে সুখ লিখে যায়।
টুকরো চিঠি সুগন্ধী মেখে দেয় কাজল খামে
অবচেতনা ধরতে পারে ঘুম, খুব কখনও …
আবারও হার মেনে উড়িয়ে দেব শেষ চুম্বন
জ্যোৎস্নায় ভিজে যাবে আমার তীর বেঁধা বিছানা
অন্ধকারে মায়াবী গান শুনব, চেষ্টায়।
শিহরণ ভরে দেবে ঝড় – জল সবুজ,
মেঘমন হয়েই থেকো, অন্যনামে ডাকুক অন্য কেউ।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[পরম্পরা ওয়েবজিন, জুলাই ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]