
জুঁই
দু’হাত ভরা কুয়াশা থাক মিথ্যে অজুহাতে
শূন্যে প্রাসাদ আঁকব তবু স্পর্শকামী রাতে
জলের দরে বিক্রি হলে অবশ হবে স্নায়ু
মনের বাঁধন শিথিল হলেই বাড়বে পরমায়ু
থাকব দু’জন দুই মেরুতে, পূর্ণ হবে শোধ
দু’চার কথায় ভেস্তে যাবে অলীক প্রতিরোধ
বৃষ্টি মেখে আসবে কাছে বিমর্ষ দুই মন
আদর ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ালেই ভাঙবে অনশন
নীরবতায় উঠবে ফুটে এক দু’খানি জুঁই
তখন যদি সবটা ভুলে আবার তোকে ছুঁই
ফিরতে গিয়ে ঝড়ের রাতে হারিয়ে যাবে পথ
যেমনি করে আগুন দেখে ঝাঁপায় বোবা মথ
তেমনি ভাবে ঠিক দু’জনে মিলব কুয়াশায়
একলা ফিঙে মুখ ঢেকেছে অদূরে লজ্জায়…

যদি বলি
যদি বলি অগ্নিকে চুম্বন করো
মুছে যাবে শত শত পাপ
তবু তুমি সংযম ছিঁড়ে তুলে আনো
জীবনের ঝোরো সন্তাপ
যদি বলি মেঘেদের স্পন্দন থেকে
বজ্র নিশান চিনে নাও
কেন তুমি বারবার ধুলোসোনা মেখে
মাটির গন্ধে মিশে যাও?
যদি বলি এত এত শব্দের ভিড়ে
একফালি নীরবতা কই?
আমাকে ভাসিয়ে দিয়ে গল্পের নীরে
কী সুখেই মেতে ওঠো, সই!
যদি বলি একবার বলো, ভালবাসি…
কেন তুমি শূন্যে মেলাও?
ওই দূরে শোনা যায় রাখালের বাঁশি
প্রেমের স্পর্শ খুঁজে নাও


Darun… Aro lekha chai… Ek obaak kora mugdhota ache Debarghar lekhay uthe asha somporker bisleshon e
ভীষণ সুন্দর দুটি কবিতাই। তবে প্রথম কবিতা “জুঁই” মন ছুঁয়ে গেছে। দেবার্ঘ্য আগামী দিনের একজন উজ্জ্বল কবি।