
শূন্যতার দাবি
এখানে অরণ্য কোথাও নেই তবুও
বুকের ভেতরে শুনি হাতির বৃংঘণ,
চোখের সমুখে দেখি চিতার রণসাজ।
এদিকে শ্মশানে বাড়ছে সুদের হার,
নৈঋত থেকে ছুটে আসছে ঈগল
সর্বহারার যেহেতু কোনো বিকল্প নেই,
তাই সামনে যে স্রোতস্বিনী দেখা যায়
তার নাব্যতাই আমার পাখির চোখ ।
অমাবস্যার নিরেট গভীর রাত, তবু
আমার আঙুলে চাঁদের মাটির ছাপ,
নাছোড়বান্দা আহ্নিক গতি বলেছিল
আমাকে বাঁচিয়ে রেখে দেবে চিরকাল।

আমার নিজস্ব কোনো নৌকা নেই,
তাই ভাড়া করা গলুই এর অন্তরেই
নিঃশব্দে রাখছি স্রোতের গভীর থেকে
তুলে নেওয়া প্রিয় শব্দগুলি।
হে বাঙ্ময় পৃথিবী, আমি চলে গেলে
নীরব অশ্রু দিয়ে নয়
আমার শূন্যতা নিয়ে তুমি ভরে দিও
অনন্ত এ প্রান্তরের মানবহৃদয়…

