জন্মকালীন স্বপ্নেরা ভেসে আসে চোখের পাতায়,
আঁকে দীঘল প্রস্তাবনা।
গুরাস-রঙে ফুটে ওঠে আকরে-শিকড়ে,
ইজেল জুড়ে ভণিতা আর মেলোডির ছায়াপথ—
ব্র্যাকেট বাঁধে অক্ষরের নৃত্য।
মাদমোয়াজেল হেসে ওঠেন।



রবাবের সুর টানেল পেরিয়ে আসে মরিচা-লাগা অতীতে,
এক খোয়াইশের জোছনা আর ঠোঁটের ফাঁকে—
বীজধানের গান বুনে চলে সময়ের তাঁত।
তুমি কি শুনতে পাও?
ছলে বলে দূরে ঠেলে সরে দাঁড়ালে…
ভীষণ আলোয় চোখ পুড়ে যায়!



জমে থাকা তনহা সাদা কাফনে লিখে রাখে ইশারা,
চারকোল এঁকে দেয় বিষ গোখরোর ছায়া।
লিথোস্ফিয়ারের বুকে এক জোকার আর তার শেষতম হরকত—
এই তো, ঘুঙুর পরে নেমে এল ওপেক আবরণের নর্তকী।
ক্লোজশটে ধরা পড়ে এক ফকিরের গভীর চোখ—
আর এক হৃদয় কবিতা।

ছবি- ভুদেব মজুমদার



তারও পরে দাঁড়িয়ে থাকে ছায়াচ্ছন্ন প্রান্তর,
ফুলের বিছানা—গন্ধহীন,
দাবদাহের ইগলু হয়ে
কবিতা রয়ে গেল জীবনের দুর্গে।
প্রাচীন মন্ত্র উচ্চারণের মতো ধ্বনি দিয়ে কে সাজায়…



তুমি জানতে চাওনি কোনওদিন…
ভেবেছ, অশ্রুত মরে যাবে অযাচিতের সুর
ডাকবাক্স এক উপুড় চিঠির দেশ
কোনও পোস্টম্যান নিতে আসে না
হলুদ বিকালে কবিতা উঁকি দিয়ে যায়,
পোস্টম্যানের বেশে…

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, জুলাই ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]

0 0 ভোট
Article Rating
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
পংক্তির ভেতর মন্তব্য
সব মন্তব্য
Ivy Chattopadhyay
Ivy Chattopadhyay
1 year ago

অপূর্ব। মুগ্ধ হলাম।