এই কি আমার পৃথিবী?
এখানেই দুচোখ পেতে স্বপ্ন দেখি ?
কি লিখি বলতো অনির্বাণ!

তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে সবকিছু
চারিদিকে হেঁটে বেড়াচ্ছে মৃত গাছ-আর
রাতের গায়ে সার সার কঙ্কাল।

পাশ কেটে যায় নীরবতা
তবু জলাভূমি থেকে উঠে আসে
একের পর এক কবন্ধ মূর্তিরা।

অনেকটা সময় পেড়িয়েছি এসেছি
জীবনকে তাই এখন করেছি খনন
প্রত্নভূমির ভেতর প্রস্তরখণ্ড শুধু
টিংটং আওয়াজে শব্দ দূষণ।

ফিরে যাই কবেকার জীবাশ্মের কাছে
নেড়েচেড়ে দেখি স্মৃতির অবয়ব-
অজস্র সমুদ্র ঢেউ হৃদস্পন্দনের মতো
ছলাকলা করে তীরে ছলাৎ ছলাৎ

নির্জন গহ্বরে সহস্র কাঁটার আড়ালে
আজও লুকিয়ে আছে এক ব্রহ্মকমল
প্ররোচক শব্দ এসে ফণা তুলে দেয়
ছোবলের নীল বিষে ফাঁদ পাতা থাকে

কাঁটার অসহ্য অভিঘাত শব্দে
অক্ষর বুনে কিছু সংলাপ লিখি, যেন
শুকনো পাতার খসখসে অন্ধ পথ খোঁজে
নাইবা হলো এসব উল্লেখিত পান্ডুলিপি!

ভাবনার শুদ্ধতায় এসো, অনির্বাণ!
এই যাত্রাপথ চন্দ্রালোক হবে
খুনের গভীরে খুনী যেভাবে জাগে
শতদল পাঁপড়ি মেলে উন্মোচিত হোক!

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের অন্য রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, এপ্রিল ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]