ফুটতে থাকা খই-এর সফেদ অহংকারে
মুহূর্তেরা ফেটে পড়ছে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে
অভ্যস্ত আয়নার নিচে
মাথা রেখে শুয়ে থাকি
স্মৃতি ও ভবিষ্যতের মাঝখানে থেমে থাকা আমি

পাতায় লেগে থাকা দুপুরের ক্লান্তি মুছতে মুছতে
সন্ধ্যার ভেতর ঢুকে পড়ে
একটা হালকা জ্বলতে থাকা
জিরো ওয়াটের আলো

রুল-টানা উঠোনে
যতদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকে সকাল
ঠিক ততটাই নিজেকে মনে হয়
দোলপূর্ণিমা

সত্যবতীর গল্পে
জন্ম জন্ম গল্পের লাইটার জ্বালাই

অম্বার সুর বেজে ওঠে
পৌরাণিক পাঠক

ক্ষতবিক্ষত আখরোট
মস্তিষ্কের ফাটলে ঢুকে পড়ে
সবুজ নীল আলোর অসুখ

আমি তো প্রান্তিক শকুন
ঝাড়খাই টিলা, অবহেলিত
বসে থাকি হেঁশেলের ভেতর

পুরনো দুপুরগুলো গড়ায় কলপাড়ে
একঘেয়ে নীরবতায়, ফুসফুসে ঢুকে পড়ে
সাদা রোদের ঝিলিক

দ্বিধাগ্রস্ত রেডিও টুকটাক শব্দে বলে যায়
তার অস্পষ্ট ইতিহাস

আমি জটলার বাইরে থাকি
কীর্তনের দুঃখপাত কিছুটা বুঝি
কিছুটা না বুঝে থিকথিকে অন্ধকার জানালায়
পৌষের টাটকা গন্ধ
হাফপ্যান্ট বয়সে ফিরে যাই

ধোঁয়াশা স্মৃতির ভিতর রঙ হরিদ্রাভা
এই তো শুনসান তোকে ছুঁয়ে থাকি

হাঁটি সারাদিন
হেঁটে বেড়াই সীমান্তের চিত্রনাট্য শুরু হয় যেখানে
মুখ রাখি আদার ব্যাপারী।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের পূর্ব রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, সেপ্টেম্বর ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]