
তমস্বিনী
আমাদের রক্তের ভেতর অন্ধকার বলেই
সব কিছু অন্ধকার দেখি এই বাঁচনযন্ত্রে।
দূরের খেয়া অন্ধকার, কাছের জানলা দিয়ে
সোহাগী রোদের হাতছানিও অন্ধকার কালো ঝুল।
আমাদের স্বপ্নগুলো যমগ্রাস, জীবনানন্দের শঙ্খমালা,
তমস্বিনী ধতুরার বিষে আক্রান্ত অক্ষৌহিনী নীলকণ্ঠ, অস্থির আলোকের
উঁকিঝুঁকি, প্রবেশ রন্ধ্র নেই,
কড়ির মতো সাদা বুক, বরফ হাতের আলিঙ্গন
জন্তুর শব তমস্বিনী রাত্রির হাসি আর
নরনারীর বুনো গল্প …

আগুন দিনের কবিতা
সেই দিনগুলো আজো মনের পাঁজরে
আগুন ঢেউ এনে দেয়।
বসন্তের পলাশে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলে তুমি।
আমার বসন্তবনে পলাশ রাঙা বিকেলে
তোমার আগুন আমি আজও
বহন করে চলেছি হেমন্তের নিঃসঙ্গ অরণ্যে,
কোনো যুবতীজলে নিভিয়ে দেবো না ওকে।
আমার সব কিছু জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিক
তোমার উন্মাদ উদ্দাম ছন্দের ধ্বনিতে
দাউ দাউ করে জ্বলুক এ শুকিয়ে যাওয়া
বেবাক হৃদয়ের ঢেউ
আমার চেতনার বোধিবৃক্ষে শেকড়ে শেকড়ে
ছড়িয়ে পড়ুক আগুনের ঢেউ
ফসিল হয়ে থাক বিধবা সময়ের অঙ্কুরিত অবসন্ন গর্ভে।

ভাল লাগলো