
বৃষ্টি-দিন
অনেক দিন হয় শহরে এসেছি। গ্রামের বাড়ির কথা খুব মনে পড়ে। নদী কেমন, গাছগুলো কেমন আর বুড়িদিদি কেমন আছে জানতে ইচ্ছে করে।
স্কুলে যাওয়ার সময়
আকাশে মেঘ দেখে বৃষ্টিতে ভেজার শখ
বন্ধুরা মিলে দৌড়োই
স্কুলে যাবার রাস্তাটি মাটির।
অনিমেষ মেঘ থেকে বৃষ্টি এলে কি আনন্দ কি আনন্দ …
রেইনি ডে স্কুল ছুটি হবে তবুও যে যেতেই হয়
নিমেষে জলে ভেজা স্বভাবের আকুতি।
শহুরে জীবনে এরকম শখ দেখি না
স্কুলবাস পুলকারে ছাত্রদের আদম কায়দা সাবধানী যাতায়াত
রেইনি ডে’ ছুটি কি?
ঘন মেঘ দেখতে পায় না।
কি আনন্দ কি আনন্দ বোঝে না।
হয়তো সময়ের পরিবর্তন
হয়তো মনোমাঝি উল্লাসহীন
“কি করিব সকলি আমার আনন্দ আর উচ্ছ্বাস”…
বৃথা ভাবনা। ছিল এমনই শৈশব।
হায় শৈশব! অবেলা!
মাটির টানে যায় বেলা।
বুড়িদিদি, তুমিও যে কোনো খোঁজ রাখো না
আমাকে তোমার মনে নেই?
শহুরে আমি তোমাদের কথা ভুলি না!
কেমন আছে নদী।
কেমন আছে বট গাছ।
কেমন আছে কদম গাছ। রসির দোলনা।

বালুর অনুপাতে
একটু একটু করে রোদ চলে যায়
সাগর রূপ পাল্টায়।
গর্জন ঢেউ উত্তাল সারারাত।
দেখতে দেখতে রোদ-সকাল
শতাধিক প্রশ্ন উঠে আসে
অঙ্গীকার দাপটে চারপাশ
সোহিনী বাতাসে চুল ওড়ে
এখনো জোয়ার আসেনি।
বালুর সংমিশ্রণে ইচ্ছেগুলো লুকিয়ে রাখা।

[পরম্পরা ওয়েবজিন, সেপ্টেম্বর ২৬, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]

ভালো লাগলো।