
রঙমিলান্তি
রঙমিলান্তির বয়স থেকে বিকেলবেলাগুলো
ছিটকে এসে হঠাৎ থমকে দাঁড়ায় আয়নায়,
সেখানে কালো-সাদা রঙ নিয়ে
জেব্রা ক্রসিং-এর মতো শুয়ে থাকে কাচা পাকা চুল চেরা
ক্ষয়িষ্ণু সময়ের পারাপার…
ভুল বানানের চোখে বরাবর আঙুল রেখেছে
যে লাল রঙ, শক্র হতে হতে
কোন কৌশলে যেন বন্ধু পাতিয়ে নিয়েছে সে
চোখের ওপরে ভুল বানানের মতো বেঁচে থাকা
বলিরেখার সঙ্গে,
লাল রঙের সাবধানতায়।
সর্ষেফুলের হলুদ ছুঁয়ে দিব্যি খাওয়া দিনগুলো
প্রেম ও পরীক্ষার সিলেবাসের বইখাতায়
মলাট দিতে দিতে অনিচ্ছায় পেরিয়ে যায় চেনা গলি।
একদিন, প্রিয় কোনো বই-মলাটের অচেনা গলিতে
ইচ্ছের পায়ে পায়ে খুঁজে পায় সেরকমই
হলুদ হয়ে যাওয়া পুরোনো চিঠি।
এভাবেই তুলি-প্যালেটের রঙ কমে এলে
বসন্তের ক্যানভাস থেকে এখনও ধার নিতে চাই
গুলাল কিমবা পলাশের রঙমিলান্তি…

মাথা উঁচু করো
মাথা উঁচু করো, এক্ষুনি।
পার্থিব কোনো ভুল
তোমার চোখের মতো
এমন বোকামি আগে করেনি।
মাথা উঁচু করো এক্ষুনি-
নয়ত দেখতে পাবে
তোমার পায়ের নীচে
রাখা যে রোদের লাশ
তুমিই তাদের সেই খুনী!
মাথা উঁচু করো এক্ষুনি।
তোমার পায়ের নীচে, রেখেছো রোদের লাশ-
তুমিই তাদের সেই খুনী!


প্রথম কবিতাটি বেশ ভালো।