অনর্গল কাল সারারাত
বাতাস ভারী হয়ে ঝুলে ছিল ছাদের মাথায়
যেভাবে শিশির শাবক অক্টবর মাসে
যেভাবে মেঘের কান্না জলেদের মাসে
আলোরা মিছিল করে উঠোনের ঘাসে
প্রাকৃত ভাষার গান উৎসব করে আয়োজন
পাথরের খাঁজে, গাছের কোটরে, স্রোতের ভাঁজে ভাঁজে
ঘুমিয়ে থাকা পাখির ডানায়
পাতার ত্বকে, সাগরের নুনে
জঙ্গলের জরাসন্ধ অন্ধকারে
খুঁজে গেছে অনর্গল কাল সারারাত আস্ত আমাকে
ব্যাধের মতন মাথায় আগুন ঝুঁটি
গাঢ় ক্ষত্রিয় রঙের বাজনা বাতাস মাতাল

খিল দেয়া ঘরে সারারাত শীত একান্তে আত্মগোপন

সংগ্রহ করতে বইমেলায় আসুন

এবারের শীতে
তোমাকে নিয়ে যাব জংলী সবুজের ভিড়ে
মেদহীন ঝর্ণাতলায়
যেখানে অনবরত পাথর ভেসে যায়
পতনের মূর্ত শিল্পকলা
যাবতীয় পুরোনোকে পিছনে রেখে
জঙ্গল রঙের পোশাকে
ছিমছাম ভেসে যাবে সরলবর্গীয় সমীপে
যদি কোনো পিছুটান
পশ্চিম আঁচলে বাঁধে স্মৃতির কয়েন
যদি দুচোখের নৈঋত কোণ
আচম্বিতে চিকিচিকি জোছনার গান
রাত্রিকাতর শাল পাইনের বন
নির্ণায়ক নগ্নতায়
খুলে দিও পোশাকের মুদ্রণ প্রমাদ
আদিম কেন্দ্রানুগ টান
ভিতর ঘর খানখান
শেফালির উদ্ধত গন্ধ
কোজাগরী চাঁদের নয়ান
হেসে হেসে ভেসে যাব স্থির চিত্রকলা

মনে রেখো আমাদেরও কণ্ঠে ছিল সময়ের গান
হৃদয় গহীনে ছিল অনেক কলতান

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের অন্য রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, ফেব্রুয়ারি ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]