বাতাসে কাঁপছে চেরাগ।
সামান্য বেপরোয়া হাওয়ায়
খসে পড়েছে পলেস্তারা।

শেকড় উপড়ে মানুষ কপোতাক্ষে ভেসে গেলে
সোহাগে সাধেনি মাটি , ‘ দাঁড়াও পথিকবর’
ভুলে গেছি জন্মান্তর
চিতাভস্ম থেকে নাভিমূল খুঁজে
বিষাদ কলসে ভাসিয়েছি নদীজলে
কেয়াপাতার নৌকো দারুণ টলমলো
দেশ বরাবর অস্থিকলস ফেরায় এখন জলও

নদী, মাটি,জল,জলবন্টন চুক্তি
কাঁটাতারে লেগে সীমানা বরাবর থেকে যায় প্রাণহীন
নিরাময় ওগো নিরাময় শিখিনি শর্তহীন
লালনের মাজারের ধারে তালিবানি আস্তানায়
ফতোয়ার মতো শোনা যায়, ‘মরো মরো মরো’
আমিও ধূর্ত শেয়ালের মতো ওৎ পেতে দেখাই সোহাগ
সামান্য বাতাসে কাঁপছে চেরাগ।

সংগ্রহ করতে বইমেলায় আসুন

আজ রাতে যদি দরজায় খুব ঘা
সাজ বদলানো তোমাকে চিনিইনা
ঘাতক আমিতো দারুণ অপ্রস্তুত
তুমি ছিলে এই সময়ের দেবদূত?

শিলাইদহের কুঠি ধুয়ে গেছে জলে
লালন মাজারে সময় অস্তাচলে
কাহ্ন আমিতো নগর বাহিরে আছি
একা পড়ে থাকি, একা অরণ্যে বাঁচি।

কাহ্ন আমার প্রতিবেশীহীন টিলা
স্বজন সুখের চিহ্ন যখন মিলায়
শবরী তোমার অধরে কমলবিষ?
আমার মারণ জপছে অহর্নিশ!

গোপনে গহনে যতবার গুমঘরে
মেরেছো, মারছো ঘেন্নার অস্তরে
বাংলার মাটি বাংলার জল বায়ু
যৌথ সেসব ইস্তেহারের আয়ু
ফুরিয়ে গিয়েছে লালন শাহের থানে
মুক্তিযুদ্ধ ভেসে গেলো আসমানে ?

সহযোগিতার হাত বাড়াতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

[লেখকের অন্য রচনা]

[পরম্পরা ওয়েবজিন, ফেব্রুয়ারি ২৫, সূচিপত্র – এখানে ক্লিক করুন]

1 1 ভোট
Article Rating
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
পংক্তির ভেতর মন্তব্য
সব মন্তব্য
পল্লববরন পাল
পল্লববরন পাল
1 month ago

দুটিই এই সময়ের সংকটের সংলাপ। বুক ভাঙে। তবু কবি, চৈতন্য আসে কই?